একদিন বাড়িতে একটি নতুন বাঘের চামড়া এলো। তখন ঠাকুর বাড়িতেই আছেন। মনে মনে ভাবলাম—এই চামড়াটা যদি ঠাকুরকে পেতে দেওয়া যায়! অথচ কখনও তাঁকে কোনো চামড়ার উপর বসতে দেখি নি।
জয় রাম,জয় গোবিন্দ
গুরু কৃপাহি কেবলম্।।
একদিন বাড়িতে একটি নতুন বাঘের চামড়া এলো। তখন ঠাকুর বাড়িতেই আছেন। মনে মনে ভাবলাম—এই চামড়াটা যদি ঠাকুরকে পেতে দেওয়া যায়! অথচ কখনও তাঁকে কোনো চামড়ার উপর বসতে দেখি নি। তাই মনের ইচ্ছে মনেই রইল। চামড়াটি ঠাকুরের ঘরের একটি ইজি-চেয়ারে পাতা থাকল।
কিন্তু সত্যিকারের ইচ্ছে হলে ঠাকুর যে তা পূরণ করেন—সেটাই আবার প্রমাণ হলো। তখন তাঁর হাতে-পায়ে সামান্য বাতের ব্যথা ছিল। তিনি বারবার চামড়াটির দিকে তাকালেন, তারপর হঠাৎ বললেন—
“বেদনা তো কিছুতেই কমছে না। দেখি এখন বাঘ বাহিনীতে কী করেন।”
ঠিক ছেলেমানুষের মতো, প্রিয় খেলনা পেলে যেমন আনন্দে মেতে ওঠে—তিনি তেমনি করে ইজি-চেয়ারে পাতা বাঘের চামড়ার ওপর বসে সেটি উল্টে-পাল্টে দেখতে লাগলেন। সেদিন সারাটা দিনই সেই চামড়ার ওপর বসে কাটালেন।
পরদিন বললেন—
“বেদনা অনেক কমছে। বাঘ বাহিনী আমারে দয়া করছেন। বাঘ বাহনে বসলে দেহের কোনো কষ্ট থাকে না।”
আমাদের মনের গোপন ইচ্ছে তিনি নিজেই পূর্ণ করলেন। এইভাবেই ঠাকুর আমাদের হৃদয়ের কথা না বললেও বুঝে নেন। সত্যিকারের ইচ্ছে তিনি সর্বদাই পূর্ণ করেন।
জয় রাম জয় গোবিন্দ
ঘরের ঠাকুর শ্রী রামচন্দ্র
— শ্রীমতী কিরণবালা মজুমদার
একদিন বাড়িতে একটি নতুন বাঘের চামড়া এলো। তখন ঠাকুর বাড়িতেই আছেন। মনে মনে ভাবলাম—এই চামড়াটা যদি ঠাকুরকে পেতে দেওয়া যায়! অথচ কখনও তাঁকে কোনো চামড়ার উপর বসতে দেখি নি।
Reviewed by Digital Creators
on
January 13, 2026
Rating:
Reviewed by Digital Creators
on
January 13, 2026
Rating:
No comments: